Breaking News

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Saturday, January 12, 2019

কিভাবে ভাবে সম্পর্ক গড়ে ওঠে ।


মাসুদ ভাই দেখলাম সম্পর্ক কিভাবে ভাঙ্গে তা নিয়ে লিখেছে ।তার লেখা দেখে অনুপানিত হয়ে আমিও একটা লম্বা আর্টিকেল লিখেলাম ।
কিভাবে ভাবে সম্পর্ক গড়ে ওঠে ।
👽👽👽👽👽👽
প্রতিটি মানুষই সমাজে বাস করে। আর তাই সমাজে চলতে গেলে আমাদের অনেক নিয়ম মেনে চলতে হয়। আমরা অনেক নিয়ম কানুন মেনে সমাজে একজন উঁচু শ্রেণীর মানুষ রূপে পরিচিতি পাই এবং সমাজের মানুষের সাথে গড়ে উঠে সম্পর্ক।দুষ্টুমি করে বলা হয় দেবর মানে “দ্বিতীয় বর”, আর শালী মানে নিঃসন্দেহে “আধা বউ”! কিন্তু যতই রসিকতার ছলে বলা হোক, কথা গুলো কি কারো কারো জীবনে রসিকতার পর্যায়ে থাকে? যত দিন যাচ্ছে, সমাজে ক্রমশ বেড়ে চলেছে অবৈধ ও অন্যায় সম্পর্কের হার। অনেকে বলবেন-“ভালোবাসা অবৈধ হয় না!” কিন্তু নিজের সন্তানের বন্ধু/বান্ধবীর সাথে কিংবা বাড়ির অপ্রাপ্ত বয়স্ক কাজের মেয়েটির সাথে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলাটা আসলে কেমন ভালোবাসা? আদৌ কি ভালোবাসা? চলুন তবে চিনে নেয়া যাক আমাদের সমাজে ক্রমশ বেড়ে চলা অবৈধ কিছু সম্পর্ক।
০১।পরকীয়ার সম্পর্ক💋
বিয়ের পরে স্বামী বা স্ত্রীর অন্য কোনো নারী বা পুরুষের সাথে যে প্রেমের অবৈধ সম্পর্ক গড়ে ওঠে সেটিই আমরা পরকীয়ার সম্পর্ক হিসেবে জানি। একটি সাজানো গোছানো সুন্দর বিবাহবন্ধনে মারাত্মক বিষের মত কাজ করে পরকীয়ার অবৈধ সম্পর্ক। পরকীয়ার সম্পর্ক অনেক কারণেই গড়ে উঠতে পারে।স্বামী/স্ত্রীর একে ওপরের প্রতি ভালোবাসা না থাকা, পারিপার্শ্বিক অনেক কারণ এমনকি শুধুমাত্র জীবনে একটু আনন্দ নিয়ে আসার কারনেও অনেকে পরকীয়ার মত অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। কিন্তু আমাদের নৈতিক মূল্যবোধ কোথায় গিয়ে ঠেকেছে? বিবাহ বন্ধনের মতো পবিত্র একটি বন্ধনেও আমরা নিয়ে আসছি পরকীয়ার মতো অপবিত্র একটি সম্পর্ক।
০২।দেবর এবং ভাবীর প্রেমের সম্পর্ক💋
আগের যুগে দেবরদের জন্য ভাবা এবং বলা হতো ভাবী মায়ের মতো হয় এবং মায়ের পরে ভাবীর স্থান। কিন্তু বর্তমানের প্রেক্ষাপটে যখন ভাবী এবং দেবরের সম্পর্কটিতে যখন আসে ‘দেবর মানে দ্বিতীয় বর অর্থাৎ দ্বিতীয় স্বামী’ তখন আমরা বুঝি আমাদের নৈতিক মূল্যবোধের অধঃপতন কতোখানি। স্বামীর অনুপস্থিতিতে দেবর-ভাবীর মধ্যে গড়ে উঠা কোনো অবৈধ সম্পর্ককে আমাদের সমাজে দেখা হয় ঘৃণ্য দৃষ্টিতে। যারা এই ধরণের অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে যান তারা কি একবারও ভেবে দেখেন না এই ধরণের অবৈধ সম্পর্কের মাধ্যমে তাদের কোনো মানসিকতা প্রকাশ পাচ্ছে।
০৩।শালী এবং দুলাভাইয়ের প্রেমের সম্পর্ক💋
অনেকই মজা করে বলেন, ‘শালী হচ্ছে অর্ধেক বউ’। কিন্তু এই কথাটি বলে আমরা কি অর্থ প্রকাশ করছি, তা কি কেউ ভেবে দেখেছি? তা সে যতই মজা করে বলা হোক! বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রেই শালী-দুলাভাইয়ের এই ধরণের অবৈধ সম্পর্কের রমরমা কাহিনী অনেকেরই নজরে আসে। আবার অনেক অবৈধ সম্পর্কই পড়ে যায় লোকচক্ষুর আড়ালে। কিন্তু সম্পর্ক আড়ালে থাকলেও বিবেক তো আর আড়ালে থাকে না। তারা কি নিজের বিবেককেও মেরে ফেলে এই কাজটি করছেন? বিশেষ করে মেয়েরা। একজন পুরুষ মানুষ, তার নজর এদিক সেদিক যায়, নিজের শালী না হলে অন্য একটি মেয়ের সাথে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে নিতে তার বেশি সময় লাগবে না। কিন্তু মেয়েটি? সে কি একবার ভেবে দেখেছে যে সে তার নিজের বোনের ঘর ভাঙার কাজে লিপ্ত হচ্ছেন? মানসিকতা কতোটা নিম্নমানের হলে এই কাজটি করা সম্ভব।
0৪।নিজের ছেলেমেয়ের বন্ধুবান্ধবের সাথে সম্পর্ক💋
সব চাইতে নিকৃষ্টতম যে অবৈধ সম্পর্কটি আমাদের সমাজে দেখা যায় তা হচ্ছে নিজের ছেলে বা মেয়ের বন্ধু বা বান্ধবীর সাথে গড়ে তোলা অবৈধ সম্পর্ক। সম্পর্কটি খুঁজতে বেশিদূর যেতে হবে না, বিখ্যাত লেখক ‘হুমায়ূন আহমেদের’ ঘরের দিকে তাকালেই আমরা বুঝে নিতে পারবো। যদিও তিনি সম্পর্কটিকে বৈধ নাম দিয়েছেন বিয়ে করে। কিন্তু এই ধরণের সম্পর্কে নিজের সন্তানের ওপর কী ধরণের মানসিক চাপ সৃষ্টি হয় তা কেউই বুঝতে পারেন না। কোন ধরণের মানবিক অবক্ষয় হলে একজন মানুষ তার নিজের সন্তানের বন্ধু বা বান্ধবীর সাথে এই ধরণের অবৈধ সম্পর্ক তৈরি করতে পারেন তা কি আমরা কখনো ভেবে দেখেছি? আমরা তাহলে কোন সমাজে বাস করছি।
0৫।গৃহ-পরিচালক বা গৃহ পরিচালিকার সাথে সম্পর্ক💋
আমাদের সমাজে উঁচু শ্রেণীর মানুষের টাকার দাপটে এই ধরণের অবৈধ সম্পর্ক ঢাকা পরে গেলেও এই ধরনের ঘটনা আমাদের অজানা নয়। বাসায় কাজ করতে আসা গৃহ-পরিচালক বা গৃহ পরিচালিকার সাথে বাড়ির কর্তা বা কর্ত্রীর গড়ে ওঠা অবৈধ সম্পর্কের পরিনতি হিসেবে কষ্ট পোহাতে হয় গরীব মানুষটিকেই। কিন্তু এই ধরণের ঘৃণ্য কাজের মূল ব্যক্তিটি সচরাচর রয়ে যায় আড়ালে।
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
বনি ইয়ামিন লাজু
সিটি ইউনির্ভাসিটি
ঢাকা,বাংলাদেশ ।


Wednesday, January 9, 2019

ভালোবাসা দিবসের পেছনের ইতিহাস সম্পর্কে কিছুটা


আসচ্ছে সামনে মাসে “ভালোবাসা দিবস বা সেন্ট ভ্যালেন্টাইন'স ডে”
“ভ্যালেন্টাইন ডে” সারা বিশ্বের কোটি কোটি প্রেমিক যুগল এর জন্য পরম আকাঙ্ক্ষিত একটি দিন।প্রতি বছর ১৪ই ফেব্রুয়ারি একযোগে সারা বিশ্বে এই দিবসটি পালন করা হয়। পৃথিবীতে যতগুলো বিশেষ দিবস রয়েছে তার মধ্যে তরুণ-তরুণীদের নিকট এই দিনটি সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আমরা যে ভালোবাসা দিবস পালন করছি এর পেছনে অনেক ইতিহাস রয়েছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে মত পার্থক্যও রয়েছে। আসুন জেনে নিই ভালোবাসা দিবসের পেছনের ইতিহাস সম্পর্কে কিছুটা
ভালোবাসা দিবস বা সেন্ট ভ্যালেন্টাইন'স ডে (সংক্ষেপে ভ্যালেন্টাইন'স ডে) একটি বার্ষিক উৎসবের দিন যা ১৪ই ফেব্রুয়ারি প্রেম এবং অনুরাগের মধ্যে উদযাপিত করা হয়। এই দিনে মানুষ তার ভালোবাসার মানুষকে ফুল, চিঠি, কার্ড, গহনা প্রভৃতি উপহার প্রদান করে দিনটি উদ্‌যাপন করে থাকে।
প্রথমঃ ২৬৯ সালে ইতালির রোম নগরীতে সেন্ট ভ্যালেইটাইন'স নামে একজন খৃষ্টান পাদ্রী ও চিকিৎসক ছিলেন। ধর্ম প্রচার-অভিযোগে তৎকালীন রোমান সম্রাট দ্বিতীয় ক্রাডিয়াস তাঁকে বন্দী করেন। কারণ তখন রোমান সাম্রাজ্যে খৃষ্টান ধর্ম প্রচার নিষিদ্ধ ছিল। বন্দী অবস্থায় তিনি জনৈক কারারক্ষীর দৃষ্টহীন মেয়েকে চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করে তোলেন। এতে সেন্ট ভ্যালেইটাইনের জনপ্রিয়তার প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে রাজা তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন। সেই দিন ১৪ই ফেব্রুয়ারি ছিল। অতঃপর ৪৯৬ সালে পোপ সেন্ট জেলাসিউও ১ম জুলিয়াস ভ্যালেইটাইন'স স্মরণে ১৪ই ফেব্রুয়ারিকে ভ্যালেন্টাইন' দিবস ঘোষণা করেন। তাই এটা আক্ষরিক অর্থে মূলত প্রেমিক-প্রেমিকার ভালবাসার প্রকাশের দিন, কিন্তু যেহেতু একজন মানুষের ভালবাসার ব্যাপ্তি তার আশেপাশের অনেক প্রিয়জন ঘিরে বিস্তৃত, তাই আজ ভালবাসা দিবস সার্বজনীন।
২য়ঃদ্বিতীয়:- সেন্ট ভ্যালেন্টাইন কারারুদ্ধ হওয়ার পর প্রেমাসক্ত যুবক-যুবতীদের অনেকেই প্রতিদিন তাকে কারাগারে দেখতে আসত এবং ফুল উপহার দিত। তারা বিভিন্ন উদ্দীপনামূলক কথা বলে সেন্ট ভ্যালেন্টাইনকে উদ্দীপ্ত রাখত। এক কারারক্ষীর এক অন্ধ মেয়েও ভ্যালেন্টাইনকে দেখতে যেত। অনেকক্ষণ ধরে তারা দু’জন প্রাণ খুলে কথা বলত। এভাবে এক সময় ভ্যালেন্টাইন তার প্রেমে পড়ে যায়। সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের আধ্যাত্মিক চিকিৎসায় অন্ধ মেয়েটি দৃষ্টিশক্তি ফিরে পায়। ভ্যালেন্টাইনের ভালবাসা ও তার প্রতি দেশের যুবক-যুবতীদের ভালবাসার কথা সম্রাটের কানে গেলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ২৬৯ খৃষ্টাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারি তাকে মৃত্যুদন্ড দেন।
তৃতীয়:- খৃষ্টীয় ইতিহাস মতে, ২৬৯ খৃষ্টাব্দের কথা। সাম্রাজ্যবাদী, রক্তপিপাষু রোমান সম্রাট ক্লডিয়াসের দরকার এক বিশাল সৈন্যবাহিণীর। এক সময় তার সেনাবাহিনীতে সেনা সংকট দেখা দেয়। কিন্তু কেউ তার সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে রাজি নয়। সম্রাট লক্ষ্য করলেন যে, অবিবাহিত যুবকরা যুদ্ধের কঠিন মুহূর্তে অত্যধিক ধৈর্যশীল হয়। ফলে তিনি যুবকদের বিবাহ কিংবা যুগলবন্দী হওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারী করেন। যাতে তারা সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে অনীহা প্রকাশ না করে। তার এ ঘোষণায় দেশের যুবক-যুবতীরা ক্ষেপে যায়। যুবক সেন্ট ভ্যালেন্টাইন নামের এক ধর্মযাজকও সম্রাটের এ নিষেধাজ্ঞা কিছুতেই মেনে নিতে পারেননি। প্রথমে তিনি সেন্ট মারিয়াসকে ভালবেসে বিয়ের মাধ্যমে রাজার আজ্ঞাকে প্রত্যাখ্যান করেন এবং তার গীর্জায় গোপনে বিয়ে পড়ানোর কাজও চালাতে থাকেন। একটি রুমে বর-বধূ বসিয়ে মোমবাতির স্বল্প আলোয় ভ্যালেন্টাইন ফিস ফিস করে বিয়ের মন্ত্র পড়াতেন। কিন্তু এ বিষয়টি এক সময়ে সম্রাট ক্লডিয়াসের কানে গেলে সেন্ট ভ্যালেন্টাইনকে গ্রেফতারের নির্দেশ দেন। ২৭০ খৃষ্টাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারি সৈন্যরা ভ্যালেন্টাইনকে হাত-পা বেঁধে টেনে-হিঁচড়ে সম্রাটের সামনে হাজির করলে তিনি তাকে হত্যার আদেশ দেন।
চতুর্থ:- আরেকটি খৃষ্টীয় ইতিহাস মতে, গোটা ইউরোপে যখন খৃষ্টান ধর্মের জয়জয়কার, তখনও ঘটা করে পালিত হতো রোমীয় একটি রীতি। মধ্য ফেব্রুয়ারিতে গ্রামের সকল যুবকরা সমস্ত মেয়েদের নাম চিরকুটে লিখে একটি পাত্রে বা বাক্সে জমা করত। অতঃপর ঐ বাক্স হতে প্রত্যেক যুবক একটি করে চিরকুট তুলত, যার হাতে যে মেয়ের নাম উঠত, সে পূর্ণবৎসর ঐ মেয়ের প্রেমে মগ্ন থাকত। আর তাকে চিঠি লিখত, এ বলে ‘প্রতিমা মাতার নামে তোমার প্রতি এ পত্র প্রেরণ করছি।’ বৎসর শেষে এ সম্পর্ক নবায়ন বা পরিবর্তন করা হতো। এ রীতিটি কয়েকজন পাদ্রীর গোচরীভূত হলে তারা একে সমূলে উৎপাটন করা অসম্ভব ভেবে শুধু নাম পাল্টে দিয়ে একে খৃষ্টান ধর্মায়ণ করে দেয় এবং ঘোষণা করে এখন থেকে এ পত্রগুলো ‘সেন্ট ভ্যালেনটাইন’-এর নামে প্রেরণ করতে হবে। কারণ এটা খৃষ্টান নিদর্শন, যাতে এটা কালক্রমে খৃষ্টান ধর্মের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে যায়।
পঞ্চম:- অন্য আরেকটি মতে, প্রাচীন রোমে দেবতাদের রাণী জুনোর সম্মানে ১৪ ফেব্রুয়ারি ছুটি পালন করা হতো। রোমানরা বিশ্বাস করত যে, জুনোর ইশারা-ইঙ্গিত ছাড়া কোন বিয়ে সফল হয় না। ছুটির পরদিন ১৫ ফেব্রুয়ারি লুপারকালিয়া ভোজ উৎসবে হাজারও তরুণের মেলায় র‌্যাফেল ড্র’র মাধ্যমে সঙ্গী বাছাই প্রক্রিয়া চলত। এ উৎসবে উপস্থিত তরুণীরা তাদের নামাংকিত কাগজের সি­প জনসম্মুখে রাখা একটি বড় পাত্রে ফেলত। সেখান থেকে যুবকের তোলা সি­পের তরুণীকে কাছে ডেকে নিত। কখনও এ জুটি সারা বছরের জন্য স্থায়ী হত এবং ভালবাসার সিঁড়ি বেয়ে বিয়েতে গড়াতো।
ঐ দিনের শোক গাঁথায় আজকের এই “ভ্যালেন্টাইন ডে”।
ষষ্ঠ:- রোমের সম্রাট দ্বিতীয় ক্লডিয়াস-এর আমলের ধর্মযাজক সেন্ট ভ্যালেনটাইন ছিলেন শিশুপ্রেমিক, সামাজিক ও সদালাপী এবং খৃষ্টধর্ম প্রচারক। আর রোম সম্রাট ছিলেন বিভিন্ন দেব-দেবীর পূজায় বিশ্বাসী। ঐ সম্রাটের পক্ষ থেকে তাকে দেব-দেবীর পূজা করতে বলা হলে ভ্যালেন্টাইন তা অস্বীকার করায় তাকে কারারুদ্ধ করা হয়। সম্রাটের বারবার খৃষ্টধর্ম ত্যাগের আজ্ঞা প্রত্যাখ্যান করলে ২৭০ খৃস্টাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রীয় আদেশ লঙ্ঘনের দায়ে ভ্যালেন্টাইনকে মৃত্যুদন্ড প্রদান করেন।
✍️✍️বাংলাদেশে ভ্যালেন্টাইনস ডে যেভাবে এসেছে:✍️✍️🏃‍♂️🏃‍♂️
১৯৯৩ সালের দিকে বাংলাদেশে বিশ্ব ভালবাসা দিবসের আর্বিভাব ঘটে। যায় যায় দিন পত্রিকার সম্পাদক শফিক রেহমান। তিনি পড়াশোনা করেছেন লন্ডনে।
১৯৯৩ সালের দিকে বাংলাদেশে বিশ্ব ভালবাসা দিবসের আর্বিভাব ঘটে। যায় যায় দিন পত্রিকার সম্পাদক শফিক রেহমান। তিনি পড়াশোনা করেছেন লন্ডনে। পাশ্চাত্যের ছোঁয়া নিয়ে দেশে এসে লন্ডনী সংস্কৃতির প্র্যাকটিস শুরু করেন। তিনি প্রথম যায় যায় দিন পত্রিকার মাধ্যমে বিশ্ব ভালবাসা দিবস বাংলাদেশীদের কাছে তুলে ধরেন। তেজগাঁওয়ে তার পত্রিকা অফিসে কেউ চাকরী নিতে গেলে না কি সাথে তার গার্লফ্রেন্ডকে নিয়ে যেতে হতো। প্রেমের যুগললবন্দী কপোত-কপোতীকে দেখে ওনি না কি খুব খুশী হতেন। অভিধা প্রথম ব্যবহার করেন শফিক রেহমান। এজন্য শফিক রেহমানকে বাংলাদেশে ভালবাসা দিবসের জনক বলা হয়।
তবে, দিন শেষে রাত ১১:৫৯ মি: পরেই ১৪ ই ফেব্রুয়ারি অর্থ্যাৎ “বিশ্ব ভালবাসা দিবস” বা ”ভ্যালেন্টাইনস ডে”।
✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️✍️
বনি ইয়ামিন লাজু
বিএসসি ইন সিএসই
সিটি ইউনির্ভাসিটি
ঢাকা,বাংলাদেশ ।
উৎসঃবাংলাপিডিয়া এবং জাতীয় ও আর্ন্তজাতিক পত্রিকা ।

Tuesday, January 8, 2019

জাহিদুল ইসলাম জাহিদ কবিতা “কেমনটা ছিলে? ”





তোমার কথায় ভাবি,গত শীতে তুমি কি রকমটাই না ছিলে?
আর এখন প্রতি অক্ষরে অক্ষরে তোমার পরিবর্তন।

এটাই স্বাভাবিক  ছিলো বটে, তবে আমি একটু ভাবি এখন কেমনটাই  তুমি !

তুমি ছিলে  এক নতুন উচ্ছাস আর তোমার হৃদয় ছিল শান্ত শব্দহীন।
তবে এখন নিস্তব্ধতার দূরত্ব বাস করে তোমার শহরে!

তোমার চোখে গোধূলির আলোর আক্রমন ছিল আর পাতাগুলোর তোমার অত্মার জলে ক্রমাগত ঝরে পড়ছিল।
তবে এখন তা আর দেখা যায় না, অবহেলার মেঘ হৃদয়ের বাস করে।

মিষ্টি সাদা কচুরিফুল আমার আত্মার পর্যুদস্ত।
আমার ধারনা, তোমার চোখদুটি ছুটে বেড়াচ্ছিল  ঘাসে ভেজাঁ শিউলির   মেঘ দূর,
তবে এখন কি তাই হয়?

বৃষ্টির জলের শব্দচয়ন  গুলো এখন কি তোমার ভালো লাগে? নদীর ঢেউ গুলো কি তাই?
না পাল্টে  গেছে সব?

আচ্ছা দুঃখিত  আমার তো জানার কথা না!
পরিবর্তন  তো হতেই পারে এটাই স্বাভাবিক।

লঞ্চ থেকে দেখা যায় জলের পকাও পকাও খেলা,আর পাহাড় থেকে দেখা ভালোলাগা,
তোমার স্মৃতি আলো, ধোঁয়া আর শান্ত  স্রোতহীন কথা গুলো প্রতিনিয়ত এখন কাদাঁয়!

তোমার দৃষ্টি থেকে দূরে,আর দূরে, রাঙা হয়ে আছে সন্ধ্যার মেঘ, তবে খানেই থাকবো?

শীতের  শুকনো পাতা তোমার অত্মার চতুর্দিকে ঘুরপাক খাচ্ছে  কেবল!

তবে দূরত্বতার পরিবর্তন  হবে শেষ হবে সকল মন খারাপের শূন্যতাবোধ!




Sunday, January 6, 2019

ফিরোজ কবিরের লেখা কবিতা “ আত্মার নীলদ্রিতা ”


সে তো নীল মায়াবতী,
হাসুক না একটু মুচকি।
কপালের বাসস্থান যে সন্দীপ লীলাভূমি।বাশের বাশির মত নাকের সুরংগ,বুজিতে পারি না
আমি তার মনের অন্ত্রংগ।
মৃদু হাওয়ায় এলো চুল ঘ্রাণে মহীয়ান,
একটু ও মিথ্যা বলি নি স্পস্ট বয়ান।
বামপাজরে গ্রহণ করেছি তোমায় অক্সিজেনের মত,
ভালোবাসলে,ভালোবাসিও ইচ্ছা আছে যত।
হেলে দুলে হাটা আর কোমরের বিছা,..
ভুলতে পারিনা মায়াবতী তোমারী মায়া
ঠোটের হাসি,মায়াবিনী কাছে পেতে চাই
,নীল শাড়িতে লাগবে তোমায় অপরূপা সুন্দরী,
লীল বসনে তুমি ওগো নীলিনা
তুমি ছিলে আমার আত্মার নীলদ্রিতা ।
কিন্তু হায় !ভাগ্য দেবতা তোমাকে
আমার ললাটে রাখে নাই।
তাং05/01/19

একাদশ জাতীয় নির্বাচনে শিক্ষামন্ত্রীডা. দিপু মনি ।


ডাদিপু মনি (জন্ম ডিসেম্বর১৯৬৫) একজন বাংলাদেশী নারী রাজনীতিবিদ যিনি ২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ সালে আওয়ামীলীগের জয়লাভের পর বাংলাদেশে প্রথম মহিলা পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে তিনি নিয়োগ পান। ডা: দীপু মনি, এমপি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাবেক পররাষ্ট্র মন্ত্রী। দশম জাতীয় সংসদে ডা: দীপু মনি চাঁদপুর- (চাঁদপুর- হাইমচর) এর প্রতিনিধিত্ব করছেন।সামাজিক উন্নয়ন এবং প্রশাসনিক ক্ষেত্রে তাঁর অনন্য অবদানের জন্য তিনি মাদার তেরেসা আন্তর্জাতিক পুরষ্কারে ভূষিত হন। ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের ২০তম কাউন্সিলে তিনি পুনরায় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন। 

Thursday, January 3, 2019

হযরত খাজা বশীর (রহঃ) এর জীবনী ।





প্রারম্ভিক জীবন ও নেপথ্যঃ
হযরত খাজা বশীর (রহঃ) বাংলা ১৩০১ সন ৮ আশ্বিন ইংরেজি ১৮৯৪ অক্টোবরের ২১ তারিখে  রোজ বৃহঃপতি বার দিনগত রাত্রির শেষে নোয়াখালি  জেলার অর্ন্তগত রামগঞ্জ থানা সোমপাড়া গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন ।তার পিতার নাম হযরত খাজা ইমর আলী পাঠান মাতা লুৎফুন্নেছা ।হযরত খাজা বশীর (রহঃ) এর বাল্যকার ও শিক্ষা জীবন শুরু হয় নিজ গ্রামে।তার পিতা হযরত উমর আলী পাঠান হযরত খাজা বশীর (রহঃ)কে গ্রাম্য মক্তবে ভর্তি করেদেন ।হযরত খাজা বশীর (রহঃ) এ মেধা শক্তি প্রকর থাকায় এবং প্রচন্ড আগ্রহ থাকায় অল্প দিনে কোরআন ,আরবী,বাংলা ,উর্দু সহ বিভিন্ন ভাষায় দক্ষ এবং শিক্ষকদের প্রিয় পাত্র ওঠে । মাত্র ছয়(৬) বছর বয়সে খাজার মাতা পরলোক গমন করেন ।হযরত খাজা বশীর (রহঃ) জামাতে উরা(দশম শ্রেণী) পযন্ত লেখাপড়া করেন ।


সুফি দীক্ষা
হযরত খাজা বশীর (রহঃ) ১৩২৯ পহেলা রবিউর মাসে স্বপ্নযোগে খাজা মঈনুদ্দীন  চিশতী কাছ থেকে বায়াত গ্রহন করেন  
ভ্রমণ
হযরত খাজা বশীর (রহঃ) বহু দেশ ভ্রমণ করেন। তৎকালীন বিভিন্ন জ্ঞানী, গুণী, পন্ডিত, দার্শনিকসহ অসংখ্য সুফি সাধকের সাথে সাক্ষাত করেন  ।এবং বহু জায়গায় ভ্রমন করেন ।
ময়মনসিংহে আগমন
হযরত খাজা বশীর (রহঃ) ১৩৯৯ বাংলা সনে ময়মনসিংহে উত্তরে জামারপুর জেলার অর্ন্তগত দেয়ানগঞ্জ(পদ্মা নগর) মোয়ামারী হেফাজ মিয়ার বাড়িতে আসেন । এবং আরবী শিক্ষা দান তথা মক্তবে শিক্ষগতা করতেন ।নদী ভাঙ্গনে মক্তব নদী গর্ভে বিলীন হলে জামালপুর বকশিঞ্জ উপজেলা বাট্টাজোড় নতুন বাজারে আজমিরগঞ্জ(দত্তেরচর) অগমন করেন এবং মাদ্রাসা শুরু করেন ।হযরত খাজা বশীর (রহঃ) সমাজের ইসলামি কুপ্রথা মদ জুয়া,নারী নির্যাতন,ধর্ষন সকল অপকর্মের ছাত্র সমাজ নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলেন ।
মৃত্যু
হযরত খাজা বশীর (রহঃ) ১৩৭৩ বাংলা সনে ১৯ শে জৈষ্ঠ্য বৃহঃপতি বার ৪.০০ ঘটিকায় ওফাত বরন করেন । প্রতিবছর ১২ সফর থেকে ১৩ পর্যন্ত আজমির গঞ্জ তার সমাধিস্থলে ওরস অনুষ্ঠিত হয়। নানা ধর্ম, বর্ণ ও গোত্রের মানুষ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ হতে সমবেত হয়।


কলাম লেখক ঃ বনি ইয়ামিন লাজু

Wednesday, December 12, 2018

আলো-আধারের গল্প “দূর পরবাসিনী"



আলো-আধারের গল্প “দূর পরবাসিনী” কিছু অংশ বন্ধুরা আশা করি ভালো লাগবে ।

বনিইয়ামিন লাজু
কেমন আছ তোমি?
=সেসব জানবার অধিকার তোমার নেই ।
বাবা কেমন আছেন ।
=সময়তো অনেক হয়েছে জবিনের সকল পায়না বোঝে পেয়েছতো ।
এতো তীর্যক কথা বলছো ক্যানো তুমি ।
=বাকা জল বিপরীদ ঝড় কিছুই তোমাকে আটকাতে পারলো না ।শুধু শক্ত পাল তোমাকে গন্তব্যে পৌছে দিলো তাই না অনামিকা ।
আবার ন্যাকামো কথা বলছো ,ফোন রেকে দিবো কিন্তু ।
=ধন্যবাদ । খুশিই হয়তাম বরং, অখন্ড অবশরে শখ করে ভালোবাসার নাসে যারা ভন্ডামি করে তাদের সাথে কথা বরার বিন্দু মাত্র আগ্রহ আমার নেই ।
এতো রেগে রেগে কথা বলছো কেন ?
=ভুল মানুষের কাছে বিনয়ী হবার দৃষ্টতা আমার নেই বলে ।
তুমি!
দেশ থেকে যারা পারিয়ে গিয়ে এতো বছর পর আমাকে ডিস্টাব করে তাদের কথার শুনার ধর্য্য হয়তো আমার নেই অনামিকা ।
দেশ ছেড়ে চরে এসেছি সতত্যি,কিনতু তোমার তো জানা উচিৎ ভারোবাসা গন্তব্র নির্ভর করে না
=তোমার জবিনের অনিবায্য অবশরে যৌবনের উষ্ণ তাপে আমার জীবনের সমস্ত ভালোবাসার স্বপ্ন ধুলায় পিষ্ঠ করে বিদেশে পাড়ি জমিয়েছ তুমি অনামিকা ।নিশ্চিত্ব জবিনের বারান্দ্রায় দাড়িয়ে াামাকে বালোবাসার ব্যাকরণ মিখাছো অনামিকা !!!!
সরি আমি রাখবো এবার ।
পাগলামি করোনা প্লিজ ।
=বল শুনতে পাচ্ছি ।
তোমাকে ভালোবেসে জীবনের একই সাথে চরম ভাবে রিদ্র রিক্ত হয়েচি আমি ।কিন্ত িতোমাকে কিছুই দিতে পারিনী বিনিময়ে ।
= সাৎপর মানুষ কাইকে কিছু দিতে পারেনা ।
শুধু উল্টো বোঝ তুমি
উল্টো সোজা সেই ভালো বোঝে যাকে উল্টো বাতাসে ছুটতে হয় ।আমি তোমাকে ভালোবাসিনা অনামিকা ।
মিথ্যা বলছো তুমি ।একনো সেই তোমার দেয়া নামে ডাকছো আমাকে ।
=অব্যাস টাকে ভালোবেসে ভুল করেছি আমি ।
কোনটা ভুল ,কোনটা সটিক ভালোবাসা সম্ভব নয় এতা সহজে বলা ।
=সম্ভব নয় তাদের যারা খোলস বদলায় ।
ভালো বলেছো তুমি । তবুও আমি বলি তোমাকে যেন কোন দিন খোরস বদলাতে না হয় । ভালো থেকো ।